কুমিল্লার মুরাদনগরে চাচির পরকীয়ার ঘটনা জেনে যাওয়ায় রামদা দিয়ে কুপিয়ে ভাতিাজার ডান হাত কেটে নিয়েছে চাচির ছেলেরা। এ ঘটনায় ছেলের পাশাপাশি বাবাকেও কুপিয়ে গুরতর জখম করেছেন তারা। বুধবার বিকেলে উপজেলার জাহারপুর ইউনিয়নের বল্লবদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের বল্লভদি গ্রামের মতি মোল্লার ছেলে মানিক মোল্লা ও তার ছেলে জাহাপুর কে.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী জিহাদ মোল্লা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী আক্তার মোল্লার স্ত্রী মরিয়ম বেগমের মোবাইল ফোনে কথা বলা ও অন্যপুরুষের সঙ্গে ছবি তোলার বিষয়টি ভাতিজারা জেনে যায়। এ নিয়ে নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তারই জেরে বুধবার বিকেল ৫টায় তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মরিয়মের দুই ছেলে জাহিদ হাসান ও মেহেদী হাসান ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের চাচা মানিক মোল্লার পরিবারের ওপর হামালা চালায়। এ সময় মেহেদী হাসান রামদা দিয়ে মানিক মোল্লার মাথায় কোপ দেয়। চোখের সামনে বাবাকে মেরে ফেলতে দেখে হাত দিয়ে রামদা ধরতে যায় এসএসসি পরিক্ষার্থী ছেলে জিহাদ মোল্লা। এ সময় দায়ের কোপে তার হাতের কব্জি কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে আ্হত অবস্থায় মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত জিহাদের মামা ফারুক বলেন , আমার ভাগিনা যদি সামনে দিয়ে হাত না দিত তাহলে বোন জামাইয়ের মাথা কেটে দুই ভাগ হয়ে যেত।

মুরাদনগর থানার সেকেন্ড অফিসার আবু হেনা মোহাম্মদ মোস্তফা রেজা বলেন, বল্লভদীর ঘটনায় দুই পরিবারের লোকজনই আহত হয়েছে। একজনের কব্জি কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মানিক মোল্লার স্ত্রী সালেহা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন, অপর দিকে আক্তার মোল্লার স্ত্রী মরিয়ম বেগম একটি পাল্টা মামলা করেছেন। সালেহা বেগমের মামলায় মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: