কুমিল্লায় ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করায় এক চিকিৎসককে এক লাখ টাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখাসহ নানা অপরাধে দুই ক্লিনিককে আরো এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ডা. সজীব নূর নিজেকে এফসিপিএস (মেডিসিন) ডিগ্রিধারী দাবি করলেও কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ কারণে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ভুয়া ডিগ্রিধারী আরেক ডাক্তার কাজী উম্মে কুলসুম পালিয়ে গেছেন।

এদিকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সের বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় দালাল ব্যবহার করে জোর করে রোগী নিয়ে আসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

এ ছাড়া ভুল অপারেশনে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু অভিযোগ ওঠা কুমিল্লার গোমতী হাসপাতালেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন রায়, ডা. ইকবাল হাসান মাহমুদ ও ডা. সৈয়দ মইনুল হক।

ডা. সৌমেন রায় বলেন, সজীব নূর এবং উম্মে কুলসুম নামে দুই চিকিৎসক ভুয়া সনদ ব্যবহার করে আসছিলেন। বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারের প্যাথলজিতে মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিকেল এবং মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া বিভিন্ন রিপোর্ট পাওয়া যায়। যে কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নগরীর নজরুল এভিনিউ এলাকায় গোমতী হাসপাতালেও অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ডা. সজীব নূর ভুয়া পদবি ব্যবহার করায় তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কুমিল্লার বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারকে ৫০ হাজার ও গোমতী হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: