কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের কলাকান্দি বাজার হতে পোড়াকান্দি পর্যন্ত গ্রামীণ সড়কটি পাকা করণের সুবিধার্থে হাড়াইকান্দি অংশে জোয়ার গোবিন্দপুর ১ নং খতিয়ানের হালদাগ ৪৬৩০ সাবেক দাগ ৬৫৭ শ্রেণী গোপাটটি অবৈদ দখল থেকে উদ্ধার করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া খানম বরাবর আবেন করেছেন হাড়াইকান্দি গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে মো. আনোয়ার।

আবেদন সুত্রে জানা যায়, হাড়াইকান্দি গ্রামের মৃত ছাবেদ আলীর ছেলে ইসমাইল, সুজন ও মৃত নোয়াব মিয়ার ছেলে শফিকুল ও করিম তারা চারটি বসত ঘর উঠিয়ে উক্ত গোপাটটি দখল করে রেখেছে। সরেজমিনে গিয়ে গোপাট দখলকারী শফিকুলের সাথে কথা বললে তিনি সাংবাকিদের বলেন, সামান্য কিছু যায়গা আমাদের ঘরের ভিতরে পরেছে, আমরা বলেছি এখন আমাদের ঘরের পিড়া পর্যন্ত সড়কটি পাকা করেন পরবর্তীতে আমরা বাড়িড় সামনে মাটি বরাট করলে যায়গাটি ছেরে দেবো। তিনি আরো বলেন আমরা গরিব মানুষ এই মুহুর্তে আমরা ঘর ভেঙ্গে কোথায় নিবো?

আবেদনকারী আনোয়ার বলেন, এখন সড়কের পাকা করণ কাজ চলছে এখন যদি উক্ত গোপাটটি উদ্ধার করা না হয় তাহলে আমাদের পৈতৃক বাড়িড় উপর দিয়ে সড়কটি পাকা করতে হবে কিন্তু সরকারী গোপাট থাকা সত্বেও আমাদের বাড়িড় উপর দিয়ে সড়ক পাকা করা হলে আমাদের ক্ষতি হবে। ইউএনও এবং এসিল্যান্ডসহ উর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট আবেদনকারী আনোয়ার ও গ্রামবাসীর দাবি সড়কটি পাকা করণের সুবিদার্থে সরকারী গোপাটটি দখল মুক্ত করা হলে গ্রামবাসী উপকৃত হবে।

এবিষয়ে স্থানীয় ভিটিকান্দি ইউনিয়ন উপ সহকারী কর্মকর্তা(ভূমি) মো. ফারুক হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশে ঘটনা স্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানতে পারি উক্ত গোপাটের কিছু অংশ শফিকদের দখলে আছে বিষয়টি আমি স্যারকে জানিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার বলেন একটি আবেদন পেয়েছি এবং এসিল্যান্ডকে নির্দেশ দিয়েছি সার্বেয়ার নিয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করার জন্য।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: