সদর দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবায়েদুর রহমান ও দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: জামাল উদ্দিন প্রধান বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করেছেন। দীর্ঘ দিন পর এই ইউনিয়ন গুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় সকাল থেকেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি ছিল।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্র গুলোতে পুরুষ ভোটারের তুলনায় মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। ৩০ ডিসেম্বর সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শুভপুর, জঙ্গলপুর, জোলাই কেন্দ্রে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া প্রায় সকল কেন্দ্রেই ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যদিয়ে গলিয়ারা উত্তর ও দক্ষিণ ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। দুটি ইউপির নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও দলের বিদ্রোহীরা শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে অংশ গ্রহন করলেও বিএনপির প্রার্থী এবং তাদের পক্ষ থেকে কোন পোলিং এজেন্টকে দেখা যায়নি।

ফলাফল শেষে আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা সোমবার রাতে সদর দক্ষিণের গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবায়েদুর রহমান ও দক্ষিণ ইউনিয়ন মো: জামাল উদ্দিন প্রধান বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার খবরে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রহিম,অর্থমন্ত্রীর এপিএস মিজানুর রহমান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন চৌধুরীসহ দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় শাহাদাত হোসেন সেলিম, আওয়ামীলীগ নেতা বাচ্চু,গলিয়ারা দক্ষিণের ২নং ওয়ার্ডের নব-নির্বাচিত মেম্বার জাকির হোসেন, জামাল পোদ্দার,ডাঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ সদস্য মমিনুল ইসলাম লিটন,আওয়ামীলীগ নেতা শাহ আলম,জোড়কানন পশ্চিম স্বেচ্ছাসেবকলীগ আহবায়ক জাফর আহম্মেদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সোমবার সকালে ভোট শুরুর আগেই গলিয়ারা দক্ষিণ ইউপির শুভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের কৃষ্ণপুর গ্রামের রাস্তায় মেম্বার প্রার্থী জিয়া উদ্দিন এবং মামুনুর রশীদের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িতে পড়ে। এ সময় গোলাগুলি, ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৭জন আহত হয়। এতে আতংকে ভোটাধিকার প্রয়োগ না করেই কেন্দ্র থেকে চলে যায় কৃষ্ণপুর গ্রামের ভোটারগণ। ঘটনায় আহত আবুল বাশার অভিযোগ করে বলেন, সকালে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য যশপুর কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মেম্বার প্রার্থী জিয়া উদ্দিনের সমর্থকরা মামুনুর রশিদের সমর্থকদেরকে বাঁধা প্রদান করে । এ সময় মামুনুর রশীদের সমর্থকদের উপর গুলি ও ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ ৭ জন আহত হয়। এ ঘটনায় এক প্রার্থী অপর প্রার্থীর সমর্থকদের দায়ী করে বক্তব্য প্রদান করে। তবে প্রিজাইজিং অফিসার বিজয় কুমার দাস বলেন, কেন্দ্রের বাহিরে হট্রগোলের খবর পেয়েছি, কিন্তু ভোট কেন্দ্রের মধ্যে কোন সমস্যা হয়নি, শান্তিপুর্ন ভাবেই ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচন অফিসার নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শান্তিপুর্নভাবেই ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: