বিশেষ প্রতিবেদনঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার পায়েরখোলা বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষায় অংশ নিলেও প্রকাশিত ফলাফলে অনুপস্থিত উল্লেখ করার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে চৌদ্দগ্রামের চার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ না নিয়েই পাশ করার ফলাফল আসে ওয়েবসাইটে। তাদের নাম্বারপত্রও প্রকাশ পায়। এতে সর্বমহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। প্রকাশিত ফলাফলে রাকিব হোসেন সিয়াম (রোল-৭৫৮২) নামের এক শিক্ষার্থীকে অনুপস্থিত উল্লেখ করায় ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সিয়াম জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। সে একই গ্রামের দিদার মজুমদার ও রিতা বেগমের একমাত্র পুত্র।

জানা গেছে, গত শনিবার সারাদেশে একযোগে ঘোষিত পিইসি ফলাফলে অনুপস্থিত উল্লেখ করায় সিয়ামের অভিভাবক কয়েকদিন ধরে নিয়মিতই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করছেন। পরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সিয়ামের পরিবারকে জানানো হয়, সে জিপিএ-৩.৫৮ পেয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত কোন ধরনের কাগজপত্র শিক্ষা অফিস ও নোয়াগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয় তাদেরকে দেয়নি। বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশের ইন্টারনেট সার্ভারে রাকিব হোসেন সিয়ামের মার্কসীটে অনুপস্থিত উল্লেখ রয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনিয়মের কারণে এ ফলাফলে অভিভাবকরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এদিকে যথা সময়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে স্কুল ছাত্র সিয়াম।

এ ব্যাপারে সিয়ামের অভিভাবক হাবিবুর রহমান জানান, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কয়েকদিন ধরেই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ২-১ দিনের মধ্যে তা সংশোধন করে দেয়া হবে বললেও ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর এই পর্যন্ত তা সংশোধন করা হয়নি।

কুমিল্লায় পিএসসি পরীক্ষা না দিয়েও পাশ করলো চার পরীক্ষার্থী

এ ঘটনার বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা নাসরিন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ভুল সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: