বেতন না পেয়ে কষ্টে দিন কাটছে কুমিল্লার ১০ সহস্রাধিক মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের।

বিজ্ঞাপন

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলায় ১০ হাজার ১৬৫টি মসজিদ আছে। অধিকাংশ মসজিদে ইমামদের বেতন ভাতা দেওয়া হয় মুসল্লিদের দেওয়া অর্থে।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে অন্তত ৫০ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিন বলেন, আমরা অন্যের বাড়িতে খাবার খেয়ে দিন পার করছি। বাড়িতে মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তান আছে। টাকা না পাঠালে তারা কি খাবে।

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে ইমাম মুয়াজ্জিনের বিষয়ে সরকারি সম্মানীর প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সভাপতি বদরুল হুদা জেনু। তিনি জানান, ইমাম মুয়াজ্জিনের বিষয়টি মানবিক। এক্ষেত্রে জেলা উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মসজিদ কমিটিরও পদক্ষেপ প্রয়োজন।

নগরীর কান্দিরপাড়, দারোগাবাড়িসহ আরও কয়েকটির এলাকার মসজিদের ইমামরা জানান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে থেকে তালিকাভুক্ত কিছু মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা আছে। তবে সব মসজিদের ইমামদের জন্য এ রকম ব্যবস্থা নেই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপ-পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম জানান, সরকারিভাবে কোনো মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনকে সম্মানী দেওয়া হয় না। তবে আমাদের একটা গণশিক্ষা প্রকল্প আছে। যেসব মসজিদে আমাদের এই প্রকল্পটা চলে তাদের একটা সম্মানী দেওয়া হয়। এই সময়ে সরকারি সহযোগিতার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, এক্ষেত্রে মসজিদ কমিটি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাইতে পারে।

সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন