কুমিল্লার কীর্তিমান মহীয়সী নারী নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর ১১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়।

এ সময় কুমিল্লায় বাংলার প্রথম ও শেষ মুসলিম নারী নবাবের অসংখ্য অবদান এবং শিক্ষায় বিশেষ অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।

নবাব ফয়জুন্নেছার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর।

আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুরুজ্জামান, নারী নেত্রী পাপড়ী বসু, ড.আতাউর রহমান, সাংবাদিক আবুল হাসনাত, আবুল কাসেম হৃদয়, নবাব ফয়জুন্নেছা সংগঠনের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ছিলেন একজন প্রজাহিতৈষী সুশাসক রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে বেড়ে উঠলেও তিনি ছিলেন বিদ্যানুরাগী। ছিলেন সমাজ সংস্কারক। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন সমাজে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি নারীশিক্ষা প্রচার ও নারীদের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে অথনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে উৎসাহিত করেছেন।

সেই চিন্তা থেকে তিনি বেগম রোকেয়ার জন্মের আগে প্রতিষ্ঠা করেছেন ফয়জুন্নেছা স্কুলসহ দুটি বালিকা বিদ্যালয়। তিনি ছিলেন কবি। প্রতিষ্ঠা করেছেন হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট, কালভার্ট। সবই করেছেন প্রজাদের কল্যাণে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠায়ও আর্থিক অবদান রেখেছেন এই পরোপকারী বাংলার নবাব।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: