ফাইল ফটো

কুমিল্লায় গত কয়েকদিনে ৩৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। জুনের শুরু থেইে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে বেড়েছে জেলার নদ-নদীর পানি। এছাড়া সীমান্তবর্তী ভারতের ওপার থেকে নেমে এসেছে পাহাড়ী ঢল। এতে জেলার গোমতীর চরাঞ্চলের বাসিন্দারা বন্যার আশঙ্কা করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গোমতীতে তীব্র স্রোত বয়ে যাচ্ছে। আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পানি। বৃষ্টি ও উজানের ঢলে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত অধিকাংশ আবাদী জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এদিকে গোমতীতে পানি বেড়ে যাওয়া এবং স্রোতের কারণে বিভিন্ন উপজেলায় নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার জেলার আবহাওয়া কর্মকর্তা ইসমাইল ভূঁইয়া জানায়, জুন মাসের প্রথম থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কুমিল্লায় ৩৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যার কারণ মৌসুমী নিম্নচাপের বায়ু সক্রিয় রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে এই অঞ্চলে অতিরিক্ত হারে জলীয়বাষ্প প্রবাহিত হওয়ায় বর্ষার শুরু থেকে অতিরিক্ত হারে বৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টিপাত এবং ধমকা বাতাস বয়ে যায়। তাই এই চার মাস নদ-নদীতে চলা নৌকা, ট্রলার ও স্টিমারকে তিন নম্বর স্থানীয় সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়। তবে এবার জুনের শুরু থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, ৭৫% এর অধিক পরিমাণে বৃষ্টি হতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আবু ইউসুফ র্ভুঁইয়া জানান, গত কয়েকদিনে বৃষ্টি এবং সীমান্তবর্তী ভারতের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীতে পানি বেড়েছে। বিভিন্ন চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে আমরা জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোর খোঁজ রাখা হচ্ছে।

সূত্রঃ ঢাকাটাইমস

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: