কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শংকরপুরে একটি মৎস খামারে বিষ প্রয়োগ করে ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে ১৮০ শতকের ওই খামারে বিভিন্ন প্রজাতির ওই মাছগুলো নিধন করা হয়। এ ঘটনার পর কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার নাজিরাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মাহবুব ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করেন।

খামার মালিক কৃষ্ণনগর (ঘোরামাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মো. আলমগীর হোসেন পুলিশকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার সাথে স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধচক্রের বিরোধ রয়েছে। তাদের নানা অপকর্মে বাধা দেয়ায় তার সাথে আলমগীরের শত্রুতার সৃষ্টি হয়। সেই শত্রুতা থেকে কৃষ্ণনগর গ্রামের জসীম, দুর্গাপুর গ্রামের রাসেল , কৃষ্ণনগর গ্রামের আবদুল জলিল ও দুর্গাপুর গ্রামের বাবুল ক্ষতি সাধন করতে তার মাছগুলো নিধন করে। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, সকাল থেকে হঠাৎ করেই ওই মৎস খামারের মাছগুলো ভেসে উঠতে শুরু করে। পরে বেশি পরিমান মাছ মরে ভেসে উঠে। এলাকাবাসী ভেসে উঠা অনেক মাছ নিয়ে যায়। অনেকে মাছ নিয়ে কেটে শুঁটকিও দেয়।

খামারের কর্মচারীরা বলেন, খামারে ভেসে উঠা মাছ মারা ঔষধের দুটি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। ডেনিটল টেন ইসি নামে ওই বোতলগুলো মাছ নিধনের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হয়।

মৎস খামারী মো. আলমগীর হোসেন বলেন, প্রতিটি বোতলের দাম ১২ থেকে ১৪ শত টাকা। শত্রুতা সাধনের জন্য তারা টাকা ব্যয় করে আমার মাছগুলো নিধন করেছে। এসব মাছ মানুষ খেলে তার ক্ষতি করতে পারে বলে একটি মাছও বিক্রি করা হয়নি। সব মাছ পঁচে গেছে। এলাকার অসচেতন লোকেরা অনেক মাছ নিয়ে গেছে। মাছগুলো আমি মাটি চাপা দিয়ে দিচ্ছি।

এ ব্যাপারে এস আই মাহবুব বলেন, আমরা ঘটনা দেখেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।