মারুফ আহমেদঃ দেশের প্রধান জাতীয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় । এতে প্রচন্ড গরমে চরম দুর্ভোগ পোহায় হাজার হাজার মানুষ। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত স্থায়ী যানজট নিরসনে এসময় হাইওয়ে পুলিশকে কাজ করতে দেখা যায়। মহাসড়কে যদিও দুর্ঘটনা বা অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ছিলনা। মহাসড়কে যত্রতত্র অবৈধ গাড়ি পার্কিং থাকার কারনেই সৃষ্ট হচ্ছে এই যানজট। এচিত্র প্রতিদিনের। তবুও নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করায় মানুষ প্রতিনিয়ত যানজটসহ নানাভাবে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে।

দেশের প্রধান জাতীয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার একাধিকস্থানজুড়ে অবৈধ ষ্ট্যান্ড রয়েছে। মহাসড়কের উপর ষ্ট্যান্ড নিষিদ্ধ হলেও কুমিল্লায় মানা হচ্ছেনা । ফলে জেলার দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত ১’শ কিলোমিটার এলাকায় রয়েছে কমপক্ষে ২০টিরও বেশী মাইক্রো,সিএনজি অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড। ফলে সড়কের উপর গড়ে উঠা ষ্ট্যান্ড এর কারণে দ্রুতগতির গাড়ি চলাচল চরমভাবে বিঘিœত হয়। এই চিত্র বেশী ময়নামতি সেনানিবাস ,নিমসার, চান্দিনা এলাকায়।

সোমবার সকালে মহাসড়কে যান চলাচল বেশী না থাকলেও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ফোরলেনের দু’পাশে মাইক্রো ও আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এ থাকা গাড়িগুলো যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখায় যানচলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। একসময় গাড়ির চাপ বাড়তে বাড়তে বুড়িচংয়ের কালাকচুয়া থেকে সদর উপজেলার আমতলী এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ৪ ঘন্টা স্থায়ী এই যানজটের কবলে পড়ে হাজার হাজার মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। মহাসড়কে চলাচলকারী একাধিক যাত্রীবাহী বাসের চালক জানান, প্রতিনিয়তই মহাসড়কের ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিশেষ করে কুমিল্লাগামী অংশে অবৈধ মাইক্রো ও বাস ষ্ট্যান্ড এর কারণে বাসের গতি কমাতে বাধ্য হচ্ছে।

এবিষয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, আমি আজ সন্ধ্যায় মাত্র যোগদান করেছি, সারাদিনের কি হয়েছে আমি অবগত নই।