গাছের ডালে থরে থরে ঝুলে সবুজ মাল্টা ও কমলা। ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছের ডালাগুলো। কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রাম। ওই গ্রামের সন্তান মোহাম্মদ হোসেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে আসেন। শখের বসে গত ৩/৪ বছর আগে ফলের বাগান করেন। এখন তার বাগানে মাল্টা ও কমলার বাম্পার ফলন হয়েছে। আর কিছু দিন পর পরিপক্ক হবে মাল্টা ও কমলা। তাই বাগানে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন করছেন মোহাম্মদ হোসেন।

কথা হয় মোহাম্মদ হোসেনের সাথে। তিনি জানান, শখের বসে বাগান শুরু করলেও এখন বানিজ্যকভাবে ফলের চাষ করছেন। ১২০ শতক জমিতে বিভিন্ন জাতের ফলের গাছ লাগিয়েছেন। তবে বাগানে এখন মাল্টা- দেশী ও চায়না জাতের কমলাই বেশী রয়েছে। এছাড়াও কলা, বাংলা লিংক পেয়ারা, সৌদি আরবের খেজুর, পেপে, নানান জাতের লেবু, লটকন ও ঔষধি গাছসহ আরো নানান জাতের ফল।

মাল্টা ও কমলার বিষয়ে মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তার বাগানে অন্তত ৪শ টি মাল্টা ও কমলা গাছ আছে। যার মধ্যে দেশীয় ও চায়না জাতের কমলার আধিক্য বেশী। বাগানে ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো মুনাফার আশা করছেন কৃষি উদ্যেক্তা মোহাম্মদ হোসেন।

কৃষি অফিস সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ হোসেন জানান, ভবিষ্যতে বাগানের পরিধি আরো বৃদ্ধি করবেন। যদি কেউ বাগান করতে চায় সেক্ষেত্রে তিনি পরামর্শ দিতে প্রস্তত আছেন। বিষমুক্ত ফল মোহাম্মদ হোসেনের অঙ্গিকার।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: