কুমিল্লার কাগজঃ গতকাল এবং আজ বৃষ্টির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন কুমিল্লাবাসী। ছুটির দিন হওয়ায় বৃষ্টিতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হননি। টানা বৃষ্টির পানিতে নগরের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট কাদা-জলে ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি যানবাহন সংকটেও গন্তব্য পৌঁছাতে গুণতে হচ্ছে বেশি ভাড়া।এছাড়াও কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, একটু বৃষ্টির ফলেই নগরের বাদুড়তলা এলাকার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সড়ক, স্টেডিয়াম এলাকা, বাগিচাগাঁও জেলা পরিষদ বাংলো সড়ক, জিলা স্কুল সড়ক, বিষ্ণুপুর, রেইসকোর্স, ছোটরা, জেলা প্রশাসকের বাসভবন সড়ক, অশোকতলা, বিসিক শিল্পনগর, মনোহরপুর, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ সড়ক, কালিয়াজুরি ও চকবাজার এলাকায় পানি জমে যায়। ওইসব এলাকার সড়কে খানাখন্দ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।  প্রয়োজনের তাগিদে যারা বের হচ্ছেন তাদেরকে পড়তে হয়েছে বিড়ম্বনায়। রাস্তায় যানবাহন চলাচল ছিলো একেবারেই কম। যাও দু’একটি পাওয়া গেছে ভাড়া গুণতে হয়েছে দ্বিগুনেরও বেশি।
সকাল থেকে ভারী বর্ষণের কারণে কুমিল্লার রেইসকোর্স থেকে শাসনগাছা পর্যন্ত সড়কের যাত্রীদের বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় রাস্তায় মানুষের চাপ তেমন না থাকলেও রেইসকোর্স মুক্তি হসপিটালের সামনে থেকে শুরু করে শাসনগাছা কৃষি অফিস পর্যন্ত সড়কের এ অংশে পথচারীদের পোহাতে হয় নরকযন্ত্রণা। পুরো সড়কেই রয়েছে ছোট বড় গর্ত। বৃষ্টির ফলে পানি জমে যায় এসব গর্তে। যানবাহন তো দূরের কথা; কাদা-পানিতে একাকার সড়কে হেঁটে চলাচল করতে হয় দু:সহ যন্ত্রণা আর ভোগান্তি নিয়ে।
এ সড়কে নিয়মিত চলাচল করেন এমন এক যাত্রী জানালেন, ফাইওভার (রেলওয়ে ওভারপাস) নির্মাণ কাজ শুরু হওয়া থেকে আমাদের ভোগান্তি শুরু হয়েছে। এমনিতেই এখানে সারাবছর পানি জমে থাকে। আর আজকের (গতকাল) বৃষ্টিতে তৈরি হওয়া ভোগান্তির মাত্রা বলার মতো নয়। রাস্তায় কাদা পানি থাকায় এ সড়কটিতে চলাচলের উপায় নেই বললেই চলে।
নগরের ফৌজদারী চৌমুহনী এলাকার এক রিকশাচালক বলেন, বৃহষ্পতিবার থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টিতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে রাস্তায় বের হচ্ছেন না। একারণে আয় কম।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: