ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ও টেটাবিদ্ধ হয় ৮জন। থেমে থেমে চলা এ সংঘর্ষে আহত হয় অন্তত আরো ১২জন। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৩ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতরা সকলে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

গতকাল ১১ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি হলে কথা হয় তাদের সাথে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাহাবু্িদ্দন গ্রুপ ও রতনপুর ইউনিয়নের রুহুল আমিন চেয়ারম্যানের গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে গতকাল ১১ জুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তার গ্রুপের লোকজন সাহাবু্িদ্দন গ্রুপের লোকজনের ওপর সসস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনায় জহিরুল ইসলামের পুত্র নাঈম (২২), সিদ্দিক মিয়ার পুত্র রাসেল, শাহাজাহান মিয়ার পুত্র শিপন ও ফজলু মিয়া নামে ৪জন টেটাবিদ্ধ হয়। একই সময়ে আলী আজ্জম, রাজিব, আলাল ও অপু নামে আরো ৪জন গুলিবিদ্ধ হয়। আাহতদের প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

অভিযুক্ত রুহুল আমিন চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার অজুহাতে কলটি কেটে দেন। তারপর অনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে আর পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি রনজিত রায় জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছে। সামনে ইউপি নির্বাচন আসছে। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টার প্রেক্ষিতে সাহাবুদ্দিন গ্রুপ ও রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। থানায় অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে আজকের ঘটনায় শুধুমাত্র সাহাবুদ্দিন গ্রুপের লোকজনই আহত হয়েছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: