ডেস্ক রিপোর্টঃ গত ১০ মাস ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি। বারবার যোগাযোগ করে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাড়া মেলেনি। বিদ্যুৎ না থাকায় শিল্পকলা একাডেমির অডিটরিয়াম বন্ধ রয়েছে। শিল্পকলা একাডেমির নিজস্ব প্রোগ্রামগুলো করতে হচ্ছে অন্য ভেন্যুতে। এদিকে সরকার অডিটরিয়ামের ভাড়া থেকে পাওয়া রাজস্ব হারাচ্ছে।

২০১৮ সালের ৩১ মে বজ্রপাতে শিল্পকলার নিজস্ব ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। এদিকে শিল্পকলার নিকট বিদ্যুৎ বিভাগের ৩৪ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। সংস্কৃতি কর্মীদের সূত্র জানায়, বিদ্যুতের সিঙ্গেল লাইন দিয়ে অফিসের কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে অডিটরিয়ামে এসি এবং অন্যান্য লাইটিংয়ে হেভি বিদ্যুতের প্রয়োজন। শিল্পকলার বাজেট নামমাত্র। নিজস্ব উল্লেখযোগ্য আয় বলতে অডিটরিয়াম ভাড়া। তা বন্ধ থাকায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া এখানে অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, সাউন্ড অপারেটর ও ক্লিনারের সংকট রয়েছে।

>>আরো পড়ুনঃ  কুমিল্লা সদর হাসপাতালের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে

সাংস্কৃতিক সংগঠক নিজাম উদ্দিন রাব্বী বলেন, কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। কুমিল্লার মতো বড় জেলায় এ অচলাবস্থা মানা যায় না। আমরা বিদ্যুৎ সংকটসহ অন্যান্য সংকটের দ্রুত সমাধান চাই। জেলা কালচারাল অফিসার আয়াজ মাবুদ বলেন, কুমিল্লা বৃহত্তর জেলা শহর। এখানে অর্ধশতাধিক সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে। বিদ্যুৎ সংকট ছাড়াও আমাদের নানা সংকটের মধ্যদিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী মহোদয়ের আশ্বাসে মঞ্চ সংস্কার করেছি। গত বছরের জানুয়ারি মাসে মঞ্চ সংস্কারে ব্যয় হয় ১৪ লাখ টাকা। টাকাগুলো এখনো পাওয়া যায়নি। ঠিকাদার বকেয়া টাকার জন্য বারবার তাগাদা দিচ্ছে।

এদিকে অডিটরিয়াম বন্ধ থাকায় আয় নেই, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পর্যাপ্ত পরিমাণে করতে পারছি না। এ ছাড়া এখানে জনবল সংকটসহ প্রশিক্ষণ কক্ষ, মহড়া কক্ষ, সেমিনার কক্ষ ও আর্ট গ্যালারিরও সংকট রয়েছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ